ইউরোপের উচ্চশিক্ষা এখন স্বপ্নের মতো মনে হতে পারে, কিন্তু সেই স্বপ্ন সত্যি করার সময় চলে এসেছে। দক্ষিণ এশিয়ার মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য পর্তুগালের বিশ্বখ্যাত পোর্তো বিজনেস স্কুল (পিবিএস) এখন সরাসরি তাদের দুয়ারে হাজির হয়েছে ‘ট্রাভেলারকি’র মাধ্যমে। এটি স্রেফ খবর নয়, বরং এক বিশাল বড় সুযোগ। বাংলাদেশসহ ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার শিক্ষার্থীরা এখন থেকে ইউরোপের অন্যতম সেরা এই প্রতিষ্ঠানে ভর্তির যাবতীয় দিকনির্দেশনা পাবেন একদম হাতের কাছেই।
ইউরোপ জয়ের নতুন মিশন: পোর্তো বিজনেস স্কুল এখন দক্ষিণ এশিয়ায়!
ম্যাচ এখন জমে উঠেছে। পর্তুগালের পোর্তো বিজনেস স্কুল দক্ষিণ এশিয়ায় তাদের শিক্ষা কার্যক্রমের প্রচার ও শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য ‘ট্রাভেলারকি’কে অফিশিয়াল কনসালটেন্সি এজেন্সি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। এটি আমাদের জন্য গর্বের। ট্রাভেলারকি মূলত বিপণন, প্রচার এবং শিক্ষার্থী ভর্তি সংক্রান্ত সব ধরণের পরামর্শ দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিদেশের মাটিতে সফল হওয়ার পথ তৈরি করে দিবে। আপনি যদি ক্যারিয়ারে বড় কোনো গোল করতে চান, তবে পোর্তো বিজনেস স্কুলের এই সুযোগটি হতে পারে আপনার জীবনের সেরা টার্নিং পয়েন্ট।
বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের নাম। ট্রাভেলারকির প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ডাল্টন জহির এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে লাল-সবুজের পতাকাকে আবারও আন্তর্জাতিক আঙিনায় উজ্জ্বল করেছেন যা সত্যিই প্রশংসনীয়। ডাল্টন জহিরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এখানে তুরুপের তাস। পর্যটন, জনসংযোগ ও আন্তর্জাতিক ব্যবসা উন্নয়নে তার ২৪ বছরের অভিজ্ঞতা পোর্তো বিজনেস স্কুলের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী কমিউনিটিকে আরও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তুলবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
সুযোগটি হাতছাড়া করা বোকামি হবে। যারা ইউরোপে বিজনেস স্টাডিজ নিয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নেওয়ার কথা ভাবছেন, তাদের জন্য ট্রাভেলারকি এখন এক নির্ভরযোগ্য আশ্রয়ের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বাস আর অভিজ্ঞতার এক দারুণ মেলবন্ধন। ডাল্টন জহির বর্তমানে ইন্টারন্যাশনাল ইকোট্যুরিজম সোসাইটির ইউরোপীয় প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন, যা এই অংশীদারিত্বকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে এবং বিশ্বস্ততা বাড়িয়েছে।
কেন পোর্তো বিজনেস স্কুল? ট্রিপল ক্রাউন কি সহজ কথা!
বিশ্বের সেরাদের সেরা এরা। পোর্তো বিজনেস স্কুল ইউরোপের অন্যতম প্রভাবশালী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যা ফিন্যান্সিয়াল টাইমস (FT) র্যাঙ্কিংয়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সম্মানের সাথে জায়গা করে নিয়েছে। এটি স্রেফ কোনো সাধারণ স্কুল নয়। বিশ্বের মাত্র কয়েক শতাংশ বিজনেস স্কুলের ‘ট্রিপল ক্রাউন’ (AMBA, AACSB এবং EFMD) স্বীকৃতি আছে, আর পিবিএস সেই দুর্লভ তালিকার একজন নিয়মিত ও দাপুটে সদস্য।
শিক্ষার মান নিয়ে আপস নেই। ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠানটি পঞ্চমবারের মতো তাদের এমবিএ (MBA) স্বীকৃতি নবায়ন করেছে যা তাদের শিক্ষা পদ্ধতির আধুনিকতা ও কার্যকারিতার এক বড় প্রমাণ। প্রতিটি ক্লাস যেন এক একটি মাস্টারক্লাস। পিবিএসের ডিরেক্টর জোয়াও কোয়েলহো ডি ম্যাগালহায়েস বিশ্বাস করেন যে নেতৃত্ব হলো অন্বেষণ ও বৃদ্ধির এক নিরন্তর যাত্রা, আর সেই যাত্রায় তারা শিক্ষার্থীদের সেরা রসদ দিয়ে সজ্জিত করেন।
সবকিছুই এখানে বিশ্বমানের হয়ে থাকে। আপনি যদি পিবিএস থেকে ডিগ্রি নেন, তবে গ্লোবাল জব মার্কেটে আপনার ডিমান্ড থাকবে একদম টপ লেভেলে যা ক্যারিয়ারের গ্রাফকে অনেক উঁচুতে নিয়ে যাবে। স্বপ্ন দেখতে দোষ নেই কোনো। জোয়াও কোয়েলহোর মতে, তারা কেবল শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা করান না, বরং তাদের ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য যোগ্য লিডার হিসেবে গড়ে তোলেন যা আজকের যুগে ভীষণ জরুরি।
আরো পড়ুন:-সৌদি আরবের দিরিয়াহ: রিয়াদ থেকে কাছেই এক অনন্য গন্তব্য
ডাল্টন জহির: দক্ষিণ এশিয়ার শিক্ষার্থীদের নতুন ভরসা
অভিজ্ঞতা কথা বলে সবসময়ই। ডাল্টন জহির এর আগে গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এবং অ্যাপল ও মটোরোলার মতো বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের সাথে কাজ করে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করেছেন। তিনি একজন সত্যিকারের লিডার। পোর্তো বিজনেস স্কুলের ডিন ও প্রেসিডেন্ট জোসে এস্তিভস তাকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন যে ডাল্টন জহিরের উপস্থিতি পিবিএসের আন্তর্জাতিক ছাত্র সম্প্রসারণে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
এটি স্রেফ পেশাদারিত্ব নয়, আবেগ। ডাল্টন জহির পর্তুগাল শাখার প্রধান হিসেবেও কাজ করছেন এবং এফবিসিসিআই-এর মতো প্রভাবশালী সংগঠনের সাথেও যুক্ত ছিলেন যা তার নেটওয়ার্ককে বিশাল করেছে। শিক্ষার্থীদের জন্য তিনি এক অভিভাবকের মতো। ট্রাভেলারকির মাধ্যমে তিনি চান বাংলাদেশের মেধাবী মুখগুলো যেন বিশ্বমানের শিক্ষার সুযোগ পায় এবং বিদেশের মাটিতে দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে সব বাধা পেরিয়ে।
বিপণন আর প্রচার হবে কৌশলী। পিবিএসের যোগাযোগনীতি অনুসরণ করে ট্রাভেলারকি এখন থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন আকর্ষণীয় অফার, লিফলেট ও তথ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করবে। প্রতিটি তথ্য হবে স্বচ্ছ ও নির্ভুল। আপনি যদি সঠিক তথ্যের অভাবে পিছিয়ে থাকেন, তবে ডাল্টন জহিরের এই টিম আপনাকে সঠিক পথ দেখাতে সদা প্রস্তুত থাকবে যা আপনার যাত্রা করবে অনেক সহজ।
আরো পড়ুন:-৩৯ বছর পর দার্জিলিংয়ে ফিরল সেই রুট, পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়!
ভর্তির নিয়ম ও ট্রাভেলারকির ভূমিকা: যেভাবে এগিয়ে যাবেন
পথ এখন অনেক পরিষ্কার। দক্ষিণ এশিয়ার শিক্ষার্থীরা এখন সরাসরি ট্রাভেলারকির মাধ্যমে পিবিএস-এ ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন যা আগে অনেক কঠিন ছিল। কোনো ঝামেলা ছাড়াই কাজ হবে। ট্রাভেলারকি মূলত বিপণন ও প্রচারের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভর্তির প্রতিটি ধাপে নিখুঁত পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করবে যাতে তারা পর্তুগালে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণ করতে পারে।
প্রচার হবে আরও জোরালো। পিবিএসের অ্যাডমিশন ডিরেক্টর অ্যাঞ্জেলিক গার্সিয়া আসন্ন শিক্ষাবর্ষে শক্তিশালী প্রচার ও অধিক শিক্ষার্থী নিয়োগের বিষয়ে দারুণ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যা আমাদের জন্য ইতিবাচক। তারা মেধাকে মূল্যায়ন করতে জানে। পিবিএস এবং ট্রাভেলারকির এই যৌথ প্রয়াস দক্ষিণ এশিয়ার উচ্চশিক্ষা খাতে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে বলে মনে করা হচ্ছে যা আগামীর পথ তৈরি করবে।
সব তথ্য পাবেন হাতের নাগালে। পিবিএসের যোগাযোগনীতি মেনে ট্রাভেলারকি শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় সব রিসোর্স সরবরাহ করবে যা তাদের সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে অনেক। এটি এক ডিজিটাল বিপ্লবের মতো। আপনার যদি যোগ্যতা থাকে এবং ইচ্ছা থাকে ইউরোপ জয় করার, তবে ট্রাভেলারকি আপনার জন্য সেই সেতুবন্ধন হয়ে কাজ করবে যা আপনাকে গন্তব্যে পৌঁছে দিবে।
আরো পড়ুন:-মেঘের দেশে ২ দিন: মিরিঞ্জা ভ্যালি ভ্রমণের পূর্ণাঙ্গ গাইড
ইউরোপের ক্যারিয়ার ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ভাবনা
ক্যারিয়ার হবে গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ডের। পোর্তো বিজনেস স্কুল থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা বিশ্বের বড় বড় মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে লিডারশিপ পজিশনে কাজ করার সুযোগ পান নিয়মিতভাবে। সুযোগ এখানে অবারিত ও অফুরন্ত। নেতৃত্ব কেবল পদ নয়, এটি একটি দক্ষতা যা পিবিএস প্রতিটি শিক্ষার্থীর রক্তে মিশিয়ে দেয় যাতে তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে।
পর্তুগাল এখন আকর্ষণীয় গন্তব্য। সুন্দর দেশ এবং উন্নত জীবনযাত্রার পাশাপাশি পর্তুগাল এখন শিক্ষার্থীদের জন্য অন্যতম নিরাপদ একটি দেশ হিসেবে স্বীকৃত যা অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা কমাবে। নিরাপত্তা এখানে সবার আগে। শিক্ষার পাশাপাশি পর্তুগালের সংস্কৃতি ও আতিথেয়তা আপনাকে বিদেশের মাটিতে নিজের ঘরের অভাব পূরণ করতে সাহায্য করবে যা পড়াশোনার জন্য সহায়ক পরিবেশ।
ম্যাচ তো মাত্র শুরু হলো। ডাল্টন জহির এবং ট্রাভেলারকির এই নতুন ইনিংস বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে এক অবিস্মরণীয় মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। জয়ের নেশা আমাদের সবার রক্তে। আসুন এই সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে আমরা বিশ্বমঞ্চে নিজেদের যোগ্য প্রমাণ করি এবং ডাল্টন জহিরের মতো সফল মানুষদের পথ অনুসরণ করে নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ে তুলি।
আরো পড়ুন:-পর্তুগালের পোর্তো বিজনেস স্কুলে ভর্তির ‘গোল’ দিতে এলো ট্রাভেলারকি
কেন ট্রাভেলারকি আপনার প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত?
ভরসা রাখা যায় তাদের ওপর। দীর্ঘ ২৪ বছরের অভিজ্ঞতা আর বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোর সাথে কাজ করার খ্যাতি ট্রাভেলারকিকে অন্যান্য সাধারণ কনসালটেন্সির চেয়ে কয়েক ধাপ এগিয়ে রেখেছে। তারা কেবল কাজ করে না, হৃদয় দিয়ে করে। ডাল্টন জহিরের ব্যক্তিগত তত্ত্বাবধানে প্রতিটি শিক্ষার্থী পাবে স্পেশাল ট্রিটমেন্ট যা তাদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিবে এবং যাত্রা সফল করবে।
এটি একটি সলিড অংশীদারিত্ব। পোর্তো বিজনেস স্কুল সরাসরি ট্রাভেলারকিকে তাদের অফিশিয়াল রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে ঘোষণা করেছে যা যেকোনো ধরণের প্রতারণার ভয় দূর করে দেয়। স্বচ্ছতা এখানে সবচেয়ে বড় শক্তি। আপনি যখন ট্রাভেলারকির সাথে যোগাযোগ করবেন, আপনি জানবেন যে আপনি সরাসরি পিবিএসের প্রতিনিধিদের সাথেই কথা বলছেন যা আপনার ভর্তির নিশ্চয়তা অনেকখানি বাড়িয়ে দেয়।
সাফল্যের চাবিকাঠি আপনার হাতেই। বিদেশের মাটিতে পড়ার যে স্বপ্ন আপনি শৈশব থেকে দেখে আসছেন, তা পূরণ করার এটাই উপযুক্ত সময় এবং উপযুক্ত মাধ্যম। সিদ্ধান্ত নিন আজই দ্রুত। আপনার এক একটি সঠিক সিদ্ধান্ত আপনাকে নিয়ে যাবে এক নতুন উচ্চতায় যেখানে আপনি হবেন একজন সফল গ্লোবাল লিডার এবং আপনার পরিবার ও দেশের গর্বের কারণ। আরো জানতে ভিজিট করুন।