১৪৮ কোটি টাকা বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান: মালিক-শ্রমিক সংগঠনের সংবাদ সম্মেলন
ঈদযাত্রায় বাস মালিকদের বিরুদ্ধে ১৪৮ কোটি টাকা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের যে অভিযোগ যাত্রী কল্যাণ সমিতি তুলেছে, তাকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি এই দাবি জানায়।
সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত মূল বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
- অভিযোগের প্রমাণ দাবি: বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব সাইফুল আলম চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, যাত্রী কল্যাণ সমিতিকে এই বিশাল অঙ্কের বাড়তি ভাড়া আদায়ের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ হাজির করতে হবে। কোনো তথ্য-প্রমাণ ছাড়া এমন ঢালাও অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়।
- তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা: এবারের ঈদে বাড়তি ভাড়া ঠেকাতে মালিক সমিতি অত্যন্ত সতর্ক ছিল। যেখানেই অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেখানেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বেশ কিছু কাউন্টার মালিককে জরিমানাসহ কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
- টার্মিনালের বাইরের কাউন্টার: সাইফুল আলম স্বীকার করেন যে, মূল টার্মিনালের বাইরে কিছু অবৈধ কাউন্টার থেকে বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। এই অবৈধ কাউন্টারগুলো উচ্ছেদ না করা পর্যন্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
- সুষ্ঠু ঈদযাত্রা: কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া এবারের বাস যাত্রা সার্বিকভাবে নির্বিঘ্ন ছিল বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। তারা মনে করে, ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করে পরিবহন খাতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে।
মালিক-শ্রমিক নেতারা স্পষ্ট জানিয়েছেন, সরকারের নির্দেশনা মেনে নির্ধারিত ভাড়ায় যাত্রী সেবা দিতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।