গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসনে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার
গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গুম ও খুনের শিকার হওয়া বিএনপি নেতা-কর্মীদের পরিবারের পুনর্বাসনে সরাসরি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে বর্তমান সরকার। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এ বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এই পরিবারগুলোকে কীভাবে স্থায়ীভাবে সহায়তা ও সামাজিক সুরক্ষা প্রদান করা যায়, সে সংক্রান্ত একটি পূর্ণাঙ্গ সুপারিশমালা তার মন্ত্রণালয় তৈরি করছে। ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার পরপরই এই সুপারিশটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠানো হবে।
বুধবার নয়াপল্টনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণকালে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, কেবল যারা প্রাণ হারিয়েছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন তারা নন, বরং আন্দোলনে যারা গুরুতর আহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, তাদেরও যথাযথ সরকারি পুনর্বাসনের আওতায় আনা হবে। একইসঙ্গে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, বিগত সময়ে হওয়া সকল গুম, খুন ও গণহত্যার সাথে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তিকে ন্যায়বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
একই দিনে সরকারের জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে রাজধানীর মাদারটেকেও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ঢাকা-৯ আসনের নিম্নআয়ের মানুষের হাতে এই অনুদান তুলে দেন সড়ক ও রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। তিনি সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করে বলেন, সরকারের প্রতিটি সাহায্য যেন কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর হাতে না গিয়ে সরাসরি প্রকৃত অভাবী ও সুবিধাভোগী মানুষের কাছে পৌঁছায়, তা কঠোরভাবে নিশ্চিত করা হচ্ছে। মূলত ক্ষতিগ্রস্ত রাজনৈতিক কর্মীদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো এবং সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।